মামলা-জরিমানার পরও ঘরে থাকছে না মানুষ


কঠোর লকডাউনের ষষ্ঠ দিনে রাজশাহী নগরীতে বেড়েছে মানুষের চলাচল। রাস্তায় বেড়েছে রিকশা, মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা। নানা অযুহাতে বাইরে আসা এসব মানুষকে ঘরে ফেরাতে হিমশিম খাচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যরা। ভ্রাম্যমাণ আদালতে নিয়মিত মামলা ও জরিমানা আদায় করার পরও মানুষ ঘরে থাকছেন না। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে- লকডাউন বাস্তবায়ন করতে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. হুমায়ুন কবীর ও জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল নগরীর সাহেব বাজার জিরোপয়েন্ট এলাকায় লকডাউন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তারা গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, লকডাউন সফল করতে তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সেজন্য নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রয়োজনে প্রশাসন আরও কঠোর অবস্থান নেবে।

এদিকে মঙ্গলবার নগরীর সাহেববাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে মানুষের চলাচল বেড়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের কঠোর উপস্থিতির পরও নানা কারণ দেখিয়ে মানুষকে বাজারে যেতে দেখা গেছে। অন্যদিনের তুলনায় এইদিন রিকশা, মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। বড় বড় মার্কেট, শপিংমল বন্ধ থাকলেও ছোট ছোট অনেক দোকান খুলতে দেখা গেছে।

রাজশাহী জেলা প্রশাসনের সহকারি কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ কাউছার হামিদ জানান, বিধিনিষেধ না মানায় মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নগরীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত ১৩টি মামলায় ৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছেন। এর আগের দিন সোমবার নগরীতে ২৬টি মামলায় ২৫ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

Top
ঘোষনাঃ