মানুষের আস্থার পাশাপাশি অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তৎপর সিলেট পুলিশ


জনবান্ধব পুলিশিং, দুর্নীতিমুক্তকরণ, সেবা গ্রহীতার ভোগান্তি কমানোসহ পাঁচ মূলনীতি নিয়ে পরিবর্তনের পথে হাঁটছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ।

আলোচিত রায়হান হত্যাকাণ্ডের পর, পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা ধরে রাখার পাশাপাশি অপরাধের হার কমানোর কথা জানান, এসএমপি কমিশনার মোহাম্মদ নিশারুল আরিফ।

গত বছরের ডিসেম্বরে সিলেটের বন্দর বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হানকে নির্যাতন করে হত্যার পর নগর পুলিশের ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সারাদেশে শুরু হয় প্রতিবাদ-বিক্ষোভ। এমন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পুলিশ কমিশনার হিসেবে দ্বায়িত্ব নেন মোহাম্মদ নিশারুল আরিফ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নের পাশাপাশি কাজ শুরু করেন পুলিশের পাঁচ মূলনীতি নিয়ে মানুষের আস্থা ফেরানোর।

এসএমপি কমিশনার মোহাম্মদ নিশারুল আরিফ বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি যে কীভাবে আরও জনবান্ধব হওয়া যায়। পুলিশের কাছে গেলে হয়রানির স্বীকার হতে হবে সাধারন মানুষের এমন ধারনা পাল্টাতে আমরা কাজ করছি।’

মামলা, জিডি কিংবা অভিযোগ তদন্তে ভোগান্তি কমানোর পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং কার্যক্রম। নিশারুল আরিফ আরও বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য একটিই, আইনের শাসন আমরা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। সরকার আমাদের আইন দিয়েছে, প্রয়োগের জন্য ক্ষমতা দিয়েছে, সেই আইন আমরা প্রয়োগ করতে চাই। কেউ আইন ভঙ্গ করলেই তার বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ হবে।’

নগর পুলিশের আবাসন সংকট নিরসন ও আধুনিকায়নে চলছে দশটি প্রকল্পের কাজ। করোনা পরিস্থিতিতে বাধাগ্রস্ত হলেও থেমে থাকেনি নগর পুলিশের মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ডও।

Top
ঘোষনাঃ